খবরাখবর

কর্মীদের শুভেচ্ছায় জন্মদিনে ভেসে গেলেন দঃ ২৪ পরগণার জয়হিন্দ বাহিনীর সভাপতি সমাজসেবী পল্লবকান্তি ঘোষ

অম্বর ভট্টাচার্য, এবিপিতকমা, কলকাতা, ১৩ই মে ২০১৯ ঃ        ১৩ই মে বাঘাযতীন স্টেশনের গায়ে দঃ ২৪ পরগণা জয়হিন্দ বাহিনীর জেলা কার্যালয়। এদিন সকাল থেকেই অগণিত অনুগামীর ছিল আনাগোনা। কিন্তু মূল অনুষ্ঠান ছিল সন্ধ্যা ৭টা থেকে। না কোন বিজয় উৎসব নয়, তবে আভাস ও পরিবেশটা অনেকটাই সেরকমই ছিল।লোকসভা নির্বাচনের শেষ দফা বাকি, একপ্রকার তৃণমূল এগিয়েই আছে ফলাফলে তাই কিছুটা খুশির মেজাজ বা জয়ের মজাজ ছিল কর্মীদের মধ্যে, ২৩শে মে তো অনেক দূর। দঃ ২৪ পরগণা জয়হিন্দ বাহিনীর জেলা সভাপতি পল্লবকান্তি ঘোষের ছিল আজ শুভ জন্মদিন। সন্ধ্যা থেকে যে হারে অনুগামী ও শুভাকাঙ্খীদের সংখ্যা বাড়তে শুরু করে তাতে বাঘাযতীনের অফিসে জায়গা দেওয়া হয়ে ওঠে এক কঠিন সমস্যার। বাধ্য হয়ে পরিস্থিতির আঁচ করেই বিকেলেই অফিসের বাইরে রাস্তায় জন্মদিন পালনের ব্যবস্থা করেন পল্লব। সন্ধ্যা হতেই একে একে সব কর্মীরা প্রচার সেড়ে তাকে শুভেচ্ছা জানাতে আসে, কেক কাটা হয়। যেমন পল্লবকে কেক খাইয়ে দেয় কর্মী ও নেতারা ঠিক একইভাবে পল্লবও সকলকে কেক খাইয়ে দেয়। জন্মদিনে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা কর্পোরেশনের ১০৯ নং ওয়ার্ডের পুরমাতা অনন্যা ব্যানার্জি, গড়িয়া স্টেশন থেকে অরিন্দম দত্ত, মিঠুন মিত্র, তীর্থ প্রতিম বিশ্বাস, রামু কর্মকার, সমরজিত ব্যানার্জি, বোড়ালের অরুণ রায়, মিঠুন মিত্র সহ অনেকে। নাম বলতে গেলে সংবাদ পরিবেশনের থেকে নামের তালিকা বড় হয়ে যাবে।সকলের জন্য ছিল হালকা নৈশ ভোজের ব্যবস্থা। তবে পল্লবকান্তি ঘোষ এককথায় শুভেচ্ছার বন্যায় ভেসে গিয়েছিলেন তার একটাই কারণ তিনি প্রকৃত জনসেবাটা করেন। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। শুধু মরশুমের পাখি হয়ে সমাজসেবা করেন না, অসময়ও মানুষের সেবায় নিজেকে নিযুক্ত রাখেন সারা বছর। দেখবেন অনেক তৃণমূল নেতাদের দেখা যায় দিদি বলেছে বসন্ত উৎসব করতে তাই একটা উৎসব করে ফেলি, দিদি বলেছে ইলিশ উৎসব করতে তাই এলাকায় একটা ইলিশ উৎসব করে ফেলি, দিদি বলেছে গরমকালে রক্তদান শিবির করতে তাই দিকে দিকে রক্তদান শিবিরের ধুম পরে যায়, দিদি বলেছে মানুষের পাশে দাঁড়াতে তাই স্বাস্থ্য শিবির করে ফেলি, দিদি বলেছে পিঠে পুলি উৎসব, বাউল উৎসব তাই সেগুলোও করে ফেলি। এরকম বহু নেতা আছে কিন্তু নিঃশ্বব্দে মানুষের জন্য কাজ করতে তো দিদি বলে নি তাই করি না এই ক্যাটাগোরিতে পল্লবকান্তি ঘোষ না। তিনি নিজের মত করে কার ক্যানসার সমস্যা তাকে সাহায্য করা, কার হাসপাতালে ভর্তি হতে সমস্যা তাকে সাহায্য করা, কার হাসপাতালের বিলের সমস্যা তাকে সাহায্য করা, ক্যানসার আক্রান্ত শিশুদের ফল, খেলনা, পথ্য দেওয়া থেকে চশমা ও ছানি অপারেশনের ব্যবস্থা করা, আবার দলীয় সংগঠনের কাজ করা, জনসংযোগ করা, গঙ্গাসাগরে চিকিৎসা শিবির করার মধ্যে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন বলেই সকলের কাছে জনপ্রিয় তার প্রমাণ আজকের সন্ধ্যা।শুধু সোনারপুর উত্তর নয় গোটা দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলা থেকে অসংখ্য নেতা ও কর্মীদের উপস্থিতি পল্লবের জন্মদিনকে আরও রঙিন করে তুলেছিল।

Leave a Reply