You cannot copy content of this page

সব সম্পর্কের শেষটা প্রেম নয়, তাই নিয়েই প্রদীপ মিস্ত্রী পরিচালিত “সুন্দরবনের গপ্পো”

অম্বর ভট্টাচার্য, এবিপিতকমা, কলকাতা, ১৫ই মার্চ ২০২১ : শ্রী কৃষ্ণ ইন্টারন্যাশনাল ফিল্মস, ডেস্টিনেশন পিকচারস এবং এস এম ডি এন্টারটেনমেন্ট প্রযোজিত এবং প্রদীপ মিস্ত্রী পরিচালিত ” সুন্দরবনের গপ্পো” ছবি এবার মুক্তির পথে। সুন্দরবনের মৎস্যজিবি পরিবারের ছোট্ট ছেলে নরেন খুব আগ্রহী জঙ্গলে কীভাবে মাছ ধরে সেটা জানার জন্য। একদিন নরেন তাঁর বাবাকে রাজি করিয়ে জঙ্গলে মাছ ধরতে যায় তার বাবা ও কয়েকজন কাকুর সাথে। গভীর রাত্রে যখন সবাই মাছ ধরতে ব্যাস্ত থাকে ঠিক তখন বাঘ নরেনের বাবার উপর ঝাঁপিয়ে পরে এবং তাকে জঙ্গলের গভীরে টেনে নিয়ে যায়। সবাই বাঘের পিছু নেয় বডি ছাড়াবার জন্য, নরেন ও তাদের সঙ্গে যায় কিন্তু দলছুট হয়ে জঙ্গলে হাড়িয়ে যায়।

একটি ছোট্ট মেয়ে নাম ঝিনুক সে নরেন কে বাঘের আক্রমণ থেকে বাঁচিয়ে গভীর জঙ্গলে তাদের ডেরায় নিয়ে যায়, নরেন গিয়ে দেখে সেখানে সব গাছের উপরে বাড়ি বানানো আছে। সেখানে গিয়ে নরেন জানতে পারে ঝিনুক হচ্ছে বিখ্যাত জঙ্গল দস্যু রহমান ডাকাতের মেয়ে।

নরেন ঝিনুকের সাথে থাকতে শুরু করে এবং দুজনের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। রহমান ডাকাত যত রাগি হোক না কেন, সে মনের দিক থেকে খুব নরম তার মেয়ে ঝিনুকের প্রতি। ঝিনুক ঘুরে ঘুরে নরেনকে জঙ্গল পরিদর্শন করায়। ঝিনুক কে নরেন পড়াশোনা শেখাতে থাকে, ঝিনুক আনন্দের সাথে নরেনের সাথে পড়াশোনা করতে থাকে।

একদিন ঝিনুক নরেন বোটে করে মাছ ধরতে যায় রহমান ডাকাতের সাথে। রহমান জেলের বেশে সেজে যায় তাই ফেরার পথে একজন ফরেস্ট অফিসারের সাথে দেখা হলেও রহমান ডাকাত কে চিনতে পারে না। নরেন ও মুখ ফুটে কিছু বলে না কারণ সে জানে এই পুরো জঙ্গলে রহমান ডাকাত ছাড়া ঝিনুকের আপন বলতে আর কেউ নেই।

রহমান ডাকাত নরেনের এমন ব্যাবহারে খুব খুশি হয় এবং একদিন খুব ভোরে যখন সবাই ঘুমাচ্ছে রহমান নরেনকে একজন জেলের নৌকায় চাপিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।

খুব সকালে ঝিনুক ঘুম থেকে উঠে নড়েনকে দেখতে না পেয়ে তার বাবার কাছে গিয়ে জানতে চায় নরেন কোথায়? রহমান ডাকাত বলে- গতকাল রাত্রে নরেনকে বাঘে ধরেছে। ঝিনুক কাঁদতে থাকে।

নরেন বোটে করে বাড়ি ফিরতে থাকে। তার চোখে জল সে গভীর জঙ্গলের দিকে তাকিয়ে থাকে।

প্রযোজনা সংস্থা-
প্রযোজক- শুভংকর বিশ্বাস, এস কে মন্ডল এবং সেখ আব্দুল লালন
আবহ সঙ্গিত- রবিন লাই (ভুমি), বিশ্বজিত কাঞ্জিলাল
ভি এফ এক্স- সুশান্ত বিশ্বাস
গ্রাফিক্স- কুশল চৌধুরী
সঙ্গিত পরিচালনা- প্রসেঞ্জিত দে
গায়ক গায়িকা- প্রসেঞ্জিত দে এবং পাপড়ি মহাজন
অভিনয়ে- অবিনাশ রায়, রোহিনি সেন, শান্তিলাল মুখারজী, দেবেশ রায় চৌধুরী, সন্দীপ মন্ডল, শান্তনু দাস, চিত্রা মুখার্জি, সুজিত মুখার্জি এবং অন্যরা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *