You cannot copy content of this page

আমফান নিয়ে উদ্বেগে রাজ্য, ঝড়ের তলপাড়ে রাজ্যে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হতে চলেছে, মোকাবিলা করতে শতর্কবার্তা

অম্বর ভট্টাচার্য, এবিপিতকমা, কলকাতা, ১৯শে মে ২০২০ : একেই করোনার থাবায় মানুষ দিশাহারা, মৃত্যু মিছিল অব্যাহত তার উপর এবার বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি এখন ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে যার নাম দেওয়া হয়েছে “আমফান”। এই ঝড় আরও শক্তিশালী হয়ে মঙ্গলবার রাতে বাংলাদেশের খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী উপকূল অঞ্চলে আছড়ে পড়তে বলে ভারত ও বাংলাদেশ আবহাওয়া দফতর লাল সংকেত দিয়েছে।আবাহাওয়া দফতর গতকালই বলেছিল আমফার পশ্চিমবাংলার সাগরদ্বীপ হয়ে বাংলাদেশের হাতিয়া দ্বীপে আঘাত হানবে। আজ আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলি খবরে বলেছে প্রবল বেগে ধেয়ে আসা সুপার সাইক্লোনটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশে আছড়ে পড়বে বলে আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন ।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৮৫ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ২১০ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ২২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে।ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়টি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর দিকে অগ্রসর হতে পারে এবং পরবর্তীতে দিক পরিবর্তন করে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে ১৯ মে মঙ্গলবার শেষরাত থেকে ২০ মে বুধবার বিকেল বা সন্ধ্যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে আঘাত হানতে পারে বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা।

এ অবস্থায় পশ্চিমবঙ্গের দুই মেদিনীপুর, কলকাতা, হাওড়া, হুগলী ও দুই ২৪ পরগণা সহ বাংলাদেশের মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে ৪ (চার) নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৭ (সাত) নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।এমনও বলা হয়েছে যে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে অতিসত্বর নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে। এতে পশ্চিমবঙ্গে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হতে পারে, তোলপাড় হতে পারে গোটা রাজ্য, এমনকি বহু কাঁচা বাড়ির ক্ষয় ক্ষতি হতে পারে। সকলকে সাবধানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।রাজ্য সরকারের তরফে শতর্কতা জারি করা হয়েছে। Follow us at : www.facebook.com/abptakmaa.newspaper/
www.twitter.com/abptakmaa

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *