You cannot copy content of this page

যাদবপুরের মানুষ ভূল বুঝেছে, তাই দিদি ভরসা করলে ২০২১এ গদ্দারদের তফাতে রেখে মনীষ গুপ্তকে জয়ী করবো, ছট পুজোর মঞ্চ থেকে পল্লবকান্তি বার্তা দিলেন

অম্বর ভট্টাচার্য, এবিপিতকমা, কলকাতা, ২১শে নভেম্বর ২০২০ : প্রায় ৫ বছর ধরে দঃ ২৪ পরগণা জেলা জয়হিন্দ বাহিনীর সভাপতি পল্লবকান্তি ঘোষের উদ্যোগে ছোট পুজোর পূণ্যার্থীদের জন্য ব্যবস্থা করেন পিয়ারলেস হাসপাতালের পিছনের জলাশয়ে।এই উপলক্ষে স্থানীয় ১০৯ নং ওয়ার্ডের পৌরমাতা অনন্যা ব্যানার্জি যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন।

এবছর সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, সাংসদ মনীষ গুপ্ত, অনন্যা ব্যানার্জি, তারক চক্রবর্তী সহ পাপাই দত্ত, পিন্টু দেবনাথ, সমরজিত ব্যানার্জি, অরিন্দম দত্ত, সুকান্ত মন্ডল, তীর্থপ্রতিম বিশ্বাস, রণজিত দাস, মাধাই সরকার সহ অনেকে।উৎসব প্রাঙ্গনে কোভিডের কারণে বিভিন্ন স্তরের মানুষ যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়।কোন রঙ দেখা হয় নি। উৎসব প্রাঙ্গনের প্রাচীরে বাম থেকে ডান ও পুলিশ থেকে ডাক্তার সকলের ছবি দিয়ে বর্ণময় হয়ে উঠেছিল।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, মনীষ গুপ্ত ও অনন্যা ব্যানার্জিকে সম্বর্ধনার সাথে কর্মরত পুলিশ আধিকারিকদের সম্বর্ধনা দেওয়া হয়। বক্তব্য রাখতে গিয়ে পল্লবকান্তি ঘোষ বলেন, আমি ছাত্র পরিষদ করার সময় থেকে বহু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের দেখছি। সেকালের নেতাদের সাথে আজকের নেতাদের মধ্যে অনেক পার্থক্য লক্ষ করছি। ক’দিনের নেতা হয়েই তাঁদের দেহরক্ষী নিয়ে ঘুরতে হয়। তাঁদের অফিসে দেখা করতে গেলে বাইরে থেকে অনুমতি নিতে হয়।কিন্তু মনীষ গুপ্তকে দেখুন একজন প্রাক্তন আই পি এস অফিসার, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ও রাজ্যসভার সাংসদ হয়েও সেভাবে দেহরক্ষী নিয়ে চলাচল করেন না। মনীষ গুপ্ত গত নির্বাচনে কিছু গদ্দারদের শিকার হন। এরকম একজন মানুষকে পরাজয় শিকার করতে হয় যা আজ যাদবপুরের মানুষ অনুভব করছেন সেদিন কত বড় ভুল করেছে। এবার যদি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা দলনায়িকা একবার ভরসা করেন তবে সেইসব গদ্দারদের দূরে রেখে মনীষ গুপ্তকে জয়ী করে ফের রাজ্যের মন্ত্রীসভায় পাঠাবো। মনীষ গুপ্ত দেখিয়েছেন সোলার লাইট, মনীষ গুপ্ত দেখিয়েছেন হাইমাস্ট লাইট, মনীষ গুপ্ত দেখিয়েছেন বিদ্যুৎ ব্যাঙ্ক।

এলাকার সিপিএম নেতারা এই উন্নয়ন দেখতে পারেন না। স্থানীয় সিপিএম নেতা একসময়ের মন্ত্রী কান্তি গাঙ্গুলি এখন বয়সের জন্য এখন চোখে কম দেখেন। তাঁদের আমলে পাড়ার ক্লাবগুলোকে সমাজবিরোধীদের নিরাপদ আশ্রয় করার জন্য টাকা দিতেন আর আজকের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলোয় উৎসাহ দিতে ক্লাবের পরিবেশ সুন্দর করতে টাকা দিচ্ছেন। আমি কিছু মানুষকে সতর্ক করে দিতে চাই যদি বিজেপি করতে হয় তবে প্রকাশ্যে এসে করতে, দিনের বেলায় তৃণমূল করে রাতের অন্ধকারে বিজেপিকে মদত দেওয়ার প্রমাণ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *