You cannot copy content of this page

সোনারপুর উত্তর বিধানসভায় বিধায়ক ফিরদৌসী বেগমের হাতে প্রথমবার ভাই ফোঁটা পেয়ে আপ্লুত সকলে

অম্বর ভট্টাচার্য, এবিপিতকমা, সোনারপুর, ২৯শে অক্টোবর ২০১৯ : ভাই ফোঁটা হিন্দুদের একটা বড় উৎসব, এইদিন বোন বা দিদি তাদের দাদা বা ভাইয়ের শুভ কামনা করে ফোঁটা দেয়।বোনের এই ফোঁটা ভাই বা দাদাকে সকল বিপদ থেকে রক্ষা করে বলে কোথিত আছে।এবছর প্রথমবার সোনারপুর উত্তর বিধানসভার বিধায়ক গোটা সোনারপুর উত্তর বিধানসভার দাদা, ভাই ও প্রবীণ নাগরিকদের ফোঁটা দিলেন রাজপুর সোনারপুর পৌরসভার ২৭ নং ওয়ার্ডের গ্রীনপার্কে।

বিধায়ক ফিরদৌসী বেগমের হাতে ফোঁটা নিতে উপস্থিত ছিলেন নরেন্দ্রপুর থানার আই সি সুখময় চক্রবর্তী, সোনারপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রবীর সরকার, খেয়াদহ ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান গোঁরাচাঁদ নস্কর, দঃ ২৪ জেলা পরিষদের সদস্য রঞ্জন বৈদ্য, বোড়াল টাউন তৃণমূল সভাপতি কানাই কর্মকার, ৩৩ নং ওয়ার্ডের পৌরপিতা বিশ্বজিত দে, ২৯ নং ওয়ার্ডের পৌরপিতা অভ্র মুখার্জি, ২ নং ওয়ার্ডের পৌরপিতা অমরেশ সরদার, ৩০ নং ওয়ার্ডের পৌরপিতা সঞ্জিত চ্যাটার্জি, সোনারপুর উত্তর বিধানসভার যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি পাপাই দত্ত, সোনারপুর উত্তর বিধানসভা জয় হিন্দ বাহিনীর সভাপতি বিশ্বজিত দাস (নন্দ),

গড়িয়া টাউন তৃণমূল কংগ্রেস ছাত্র পরিষদ সভাপতি বিশ্বজিত সাউ, গড়িয়া টাউন জয় হিন্দ বাহিনী সভাপতি অরিন্দম দত্ত, গড়িয়া আই এন টি টি ইউ সি যুগ্ম আহ্বায়ক পিন্টু দেবনাথ, গনেশ প্রসাদ, অরুণ রায়, তপন দাস, নরেন্দ্রপুর টাউন জয় হিন্দ বাহিনীর সভাপতি ইসরাফিল সরদার (মিঠু সোনা), শিক্ষক সৌম্যব্রত দত্ত, আবদুল আওয়াল, সুরজিত দাস, প্রদীপ চক্রবর্তী, ব্যোমকেশ কাউল, মাইউদ্দীন মন্ডল (মানু), শিক্ষক সৌমিত্র কুন্ডু সহ অনেকে। এই অনুষ্ঠানে আমিও বিধায়ক ফিরদৌসী বেগমের হাতে ফোঁটা পেয়ে আপ্লুত।

ভাই ফোঁটা দেওয়ার পর সকলকে মিষ্টি মুখ করান বিধায়ক নিজে এবং সকলের জন্য মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করে সকলকে নিজে তদারকি করেন। বিধায়ক ফিরদৌসী বেগম বলেন, প্রথমবার ভাই ফোঁটা দিলাম বেশ আনন্দ হচ্ছে সোনারপুর উত্তরের সকল ভাই, দাদা ও প্রবীণ মানুষদের কপালে ফোঁটা দিতে পেরে। এই রীতি প্রতিবছর হবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির অনুপ্রেরণায় এই ভাই ফোঁটা শুরু হয়েছিল।

তিনি ভাই ফোঁটাকে উৎসবে পরিণত করেছেন। আজ তাঁরই অনুপ্রেরণায় একদিকে যেমন জনসংযোগ তৈরি হল আবার অন্যদিকে “দিদিকে বলো” কর্মসূচীও সম্পন্ন হল। সকলের সাথে বিভিন্ন সমস্যা ও অভিযোগের সাথে উপদেশও পাওয়া গেল।প্রবীর সরকার, পাপাই দত্ত, বিশ্বজিত দাস, অরিন্দম দত্ত, ইসরাফিল সরদার জানান প্রথম বছর বিধায়কের এরকম একটা উদ্যোগ মন ছুঁয়ে গেল, আমরা সকলে আপ্লুত ও আবেগতারিত।প্রতিবছর এই অনুষ্ঠান হবে শুনে আমরা বেশ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছি। এটা বলতে পারি আগামী বছর আরও বড় করে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *