You cannot copy content of this page

স্বর্গ থমকে আছে, জীবনযাত্রা স্তব্ধ, সমাধানের আশায় গোটা স্বর্গ

অম্বর ভট্টাচার্য, এবিপিতকমা, কলকাতা, ২৮শে আগস্ট ২০১৯ : দ্বিতীয়বারের জন্য কেন্দ্রের গদিতে বসেই সবার প্রথমে প্রধানমন্ত্রী মোদী যে পদক্ষেপ নিলেন তা হল কাশ্মীরে ৭০ বছরের ৩৭০ ধারা ও ৩৩৫ ধারা তুলে দিলেন। কিন্তু তাতে তিনি যে সুবিধা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন তার কিছুই হয়নি। গোটা কাশ্মীরে এখন কার্ফিউ জারি রয়েছে। মানুষ হাসপাতালে যেতে পারছে না, বাজারে যেতে পারছে না, স্কুলে যেতে পাড়ছে না, টেলিফোন পরিষেবা বন্ধ, ইন্টারনেট পরিষেবা নেই, ব্যঙ্ক থেকে টাকা তুলতে গেলে প্রয়োজন মত টাকা পাওয়া যাচ্ছে না, টিভি পরিষেবা বন্ধ, কাশ্মীরের বাইরে কোথাও যাওয়া যাচ্ছে না। একেবারে নজরবন্দি করে রেখেছে বিজেপি সরকার এমনটাই বলছেন ওখানকার পণ্ডিতরা। বাড়ির বাইরে গেলে সেনাবাহিনী জেরা করছে, একটু এদিক অদিক হলেই বন্দি করে দিচ্ছে। কত নিখোঁজ পরিবারের সদস্যদের খুঁজতে মানুষ যাচ্ছে সেনা ক্যাম্পে। কোন হদিশ পাচ্ছে না। আতঙ্কে কাটাচ্ছে গোটা কাশ্মীর। তাদের মতে ৩৭০ ধারাটা শুধু কাশ্মীরে নেই, উত্তর পূর্ব সব রাজ্যে আছে। গোটা ভারতে ১১টা রাজ্যে এই ধারা লাঘু আছে। ১০টা রাজ্যে তো এই ধারা উঠল না, তবে শুধু কাশ্মীরে উঠল কেন? মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, আসাম, মনিপুর, ত্রিপুরা, অরুনাচল প্রদেশেও কেউ বাইরে থেকে গিয়ে জমি কিনতে পারে না। তবে কাশ্মীরে কেন এবার থেকে কিনতে পারবে? গোটা কাশ্মীর বলছে, সরকার যতই আইন করুক বাইরে থেকে এসে কেউ কাশ্মীরে জমি কিনতে পারবে না। জম্মুতে কিনতে পারে কিন্তু কাশ্মীর মেনে নেবে না। এক বছর ধরে কার্ফিউ থাকলেও কাশ্মীরিদের কোন সমস্যা হবে না। এক বছরের খাদ্য মজুদ আছে সব কাশ্মীরিদের ঘরে। কাশ্মীরে কেউ গরীব নেই, কেউ ভাড়া বাড়িতে বাস করে না, সকলের নিজের জমি আছে। সরকার জোর করে এখানে কিছু করতে গেলে সমস্যা বাড়বে।

কেউ বাইরে থেকে প্রবেশ করতে পারছে না, কেউ কাশ্মীর থেকে বাইরে যেতে পারছে না কেন? কারও বাড়িতে কখন মানুষ বলে ঢোকা যাবে না, যখন কোন সমস্যা থেকে বা কোন কিছু লোকানোর থাকে।

তবে কি কাশ্মীরেও সেরকম কিছু চলছে? কাশ্মীরিরা বলছে এই সমস্যার একটাই সমাধান হবে। গোটা কাশ্মীরকে তিনটে ভাগ করতে হবে। পাকিস্থানের ভাগ পাকিস্তানকে দিয়ে দিতে হবে, চীনের ভাগ চিনকে দিতে হবে আর ভারতের ভাগ ভারতের থাকবে। আজাদ কাশ্মীর পাকিস্থানকে দিতেই হবে। আজাদ কাশ্মীরের আয়তন হল ১৩,২৯৭ বর্গ কিমি, আর জনসংখ্যা হল ৪০,৪৫,৩৬৬ (২০১৭ সাল অনুযায়ী)। গিলগিত-বালতিস্থানের ছয় ভাগের এক ভাগ হল এই আজাদ কাশ্মীর। এই আজাদ কাশ্মীরের নিজস্ব প্রশাসন, এখানে নিজেদের সুপ্রিম কোর্ট এবং হাই কোর্ট আছে। এরা নিজেরাই প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করে। মাত্র ১০টা রাজ্য নিয়ে আজাদ কাশ্মীর যার রাজধানী মুজাফরাবাদ। বর্তমানে কাশ্মীরিদের বক্তব্য মোদী সরকার ভারতের সুরক্ষা দেখতে গিয়ে শেষে উলটে অশান্ত করে তুলবে। আমরা কখনো চাই না ভারতের থেকে আলাদা হতে কিন্তু মোদী সরকার ২৭০ ধারা শুধু আমাদের জন্য তুলে দিয়ে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।আমরা বিশ্বের থেকে একেবারে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছি, কোন যোগাযোগ নেই।

At the time of the Partition of India in 1947, the British abandoned their suzerainty over the princely states, which were left with the options of joining India or Pakistan or remaining independent. Hari Singh, the maharaja of Jammu and Kashmir, wanted his state to remain independent. Muslims in Western Jammu province (current day Azad Kashmir) and the Frontier Districts Province (current day Gilgit-Baltistan) had wanted to join Pakistan.

In Spring 1947, an uprising against the Maharaja broke out in Poonch, an area bordering the Rawalpindi division of West Punjab. Maharaja’s administration is said to have started levying punitive taxes on the peasantry which provoked a local revolt and the administration resorted to brutal suppression. The area’s population, swelled by recently demobilised soldiers following World War II, rebelled against the Maharaja’s forces and gained control of almost the entire district. Following this victory, the pro-Pakistan chieftains of the western districts of Muzaffarabad, Poonch and Mirpur proclaimed a provisional Azad Jammu and Kashmir government in Rawalpindi on October 3, 1947. Ghulam Nabi Gilkar, under the assumed name “Mr. Anwar,” issued a proclamation in the name of the provisional government in Muzaffarabad. However, this government quickly fizzled out with the arrest of Anwar in Srinagar. On October 24, a second provisional government of Azad Kashmir was established at Palandri under the leadership of Sardar Ibrahim Khan.

On October 21, several thousand Pashtun tribesmen from North-West Frontier Province poured into Jammu and Kashmir to liberate it from the Maharaja’s rule. They were led by experienced military leaders and were equipped with modern arms. The Maharaja’s crumbling forces were unable to withstand the onslaught. The raiders captured the towns of Muzaffarabad and Baramulla, the latter 20 miles (32 km) northwest of the state capital Srinagar. On October 24, the Maharaja requested military assistance from India, which responded that it was unable to help him unless he acceded to India. Accordingly, on October 26, 1947, Maharaja Hari Singh signed an Instrument of Accession, handing over control of defence, external affairs and communications to the Government of India in return for military aid. Indian troops were immediately airlifted into Srinagar. Pakistan intervened subsequently. Fighting ensued between the Indian and Pakistani armies, with the two areas of control more or less stabilised around what is now known as the “Line of Control”.

India later approached the United Nations, asking it to resolve the dispute, and resolutions were passed in favour of the holding of a plebiscite with regard to Kashmir’s future. However, no such plebiscite has ever been held on either side, since there was a precondition which required the withdrawal of the Pakistani Army along with the non-state elements and the subsequent partial withdrawal of the Indian Army from the parts of Kashmir under their respective control – a withdrawal that never took place. In 1949, a formal cease-fire line separating the Indian- and Pakistani-controlled parts of Kashmir came into effect.

Following the 1949 cease-fire agreement with India, the government of Pakistan divided the northern and western parts of Kashmir that it occupied at the time of cease-fire into the following two separately-controlled political entities:

  • Azad Jammu and Kashmir (AJK) – the narrow, southern part, 250 miles (400 km) long, with a width varying from 10 to 40 miles (16 to 64 km).
  • Gilgit–Baltistan formerly called the Federally Administered Northern Areas (FANA) – the much larger political entity to the north of AJK with an area of 72,496 square kilometres (27,991 sq mi).

At one time under Pakistani control, Kashmir’s Shaksgam tract, a small region along the northeastern border of Gilgit–Baltistan, was provisionally ceded by Pakistan to the People’s Republic of China in 1963 and now forms part of China’s Xinjiang Uygur Autonomous Region.

In 1972, the then current border between the Indian and Pakistani controlled parts of Kashmir was designated as the “Line of Control”. This line has remained unchanged since the 1972 Simla Agreement, which bound the two countries “to settle their differences by peaceful means through bilateral negotiations”. Some political experts claim that, in view of that pact, the only solution to the issue is mutual negotiation between the two countries without involving a third party such as the United Nations. The 1974 Interim Constitution Act was passed by the 48-member Azad Jammu and Kashmir unicameral assembly.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *