You cannot copy content of this page

সোনারপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রবীরের ব্যক্তিগত উদ্যোগে খেয়াদহ ২ গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যদের খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হল

অম্বর ভট্টাচার্য, এবিপিতকমা, সোনারপুর, ১লা এপ্রিল ২০২০ : করোনা দুর্যোগ মানুষকে দিশাহার করে দিয়েছে কারণ গোটা রাজ্য সহ দেশে এখন লকডাউন পরিস্থিতি। মানুষ পরিবারের জন্য খাদ্য সামগ্রী যোগাড় করাটা খুব কঠিন হয়ে গেছে কারণ কারও রোজগার নেই। মানুষ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। একদিকে বাড়ির বাইরে বেরোলে করোনার থাবা আবার বাড়িতে থাকলে পেতের জ্বালা। তাই আজ সোনারপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রবীর সরকার সোনারপুর উত্তর বিধানসভা অন্তর্গত খেয়াদহ ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৫ জন সদস্য ও সদস্যাকে নিজের বাড়ির কার্যালয় থেকে সোনারপুর উত্তর বিধানসভার বিধায়ক ফিরদৌসী বেগমের উপস্থিতিতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে ২০০ কেজি চাল, ১০০ কেজি আলু, ৪০ কেজি ডাল ও সোয়াবিন তুলে দেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সোনারপুর উত্তরের তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি পাপাই দত্ত সহ অনেকে।

এব্যাপারে প্রবীর সরকার জানান, রাজ্য সরকারের মানবিক মুখ্যমন্ত্রী আজ থেকে সকলের জন্য রেশন থেকে বিনা পয়সায় খাদ্য সামগ্রী দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। কিন্তু এর বাইরেও বহু মানুষ আছেন যাদের রেশন কার্ড নেই। তাদের সাহায্য করার জন্য আমি প্রতিটা গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য ও সদস্যাদের বলেছি প্রতিটা বুথে ৬০ জন এরকম মানুষকে চিহ্নিত করে তাদের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়ার জন্য। এছাড়া অতি দরীদ্র বা দুঃস্থ পরিবারকেও যেন এই সাহায্য তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিধায়ক ফিরদৌসী বেগম বলেন, মানুষ একটা ভীষণ দুর্যোগের মধ্যে দিয়ে জীবনযাপন করছে। অনবরত আমার কাছে খাদ্যের অভাবের কারণে অসহায় মানুষের ফোন আসছে। আমি আমার নিজের কার্যালয় থেকে প্রতিদিন চেষ্টা করছি মানুষকে খাদ্য সামগ্রী দিয়ে সাহায্য করতে। কিন্তু আমি যা করছি তা যথেষ্ট নয়।বিধানসভার প্রতিটা এলাকায় সকলে মিলে যদি এভাবে এগিয়ে আসি তবে অনেকটা সুরাহা হবে।যেহেতু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিনা পয়সায় রেশনে খাদ্য সামগ্রী দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি অতি দরীদ্র ও যাদের রেশন কার্ড নেই তাদের সাহায্য তুলে দেওয়ার জন্য। আগে মানুষ বাঁচুক। আমরা কোন রং বা জাত দেখে এই সাহায্য করছি না, আমরা মানুষ হিসাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছি।

প্রবীর সরকার জানান, আজকের এই খাদ্য সামগ্রী মাধ্যমে খেয়াদহ ২ নং পঞ্চায়েতের প্রায় ১৫০০ মানুষ উপকৃত হবে।আমাদের এই দুর্যোগকে মোকাবিলা করতেই হবে আর মানুষকেও মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধ মেনে নিয়ম বিধি মেনে চলে আমাদের সহযোগিতা করতে হবে।মুখ্যমন্ত্রী বারবার করে ঘোষণা করছেন করোনার থাবা থেকে গোটা রাজ্যকে বাঁচাতে হলে সকলকে বাড়িতে গৃহবন্দি করে রাখতে হবে এবং সবসময় হাত পরিষ্কার রাখতে হবে।এমন সময় এই মহামারী থেকে আমাদের প্রতিরোধ করতে গেলে সকলকে একসাথে লড়াই করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *