You cannot copy content of this page

মহা নির্বান মঠের সাহায্যের অসহায় মানুষদের খাদ্য সামগ্রী তুলে দিতে আগ্রহী রাজপুর সোনারপুরের পাপিয়া

অম্বর ভট্টাচার্য, এবিপিতকমা, সোনারপুর, ১৭ই মে ২০২০ : করোনার জেরে মানুষ এবার নাজেহাল। একদিকে কেন্দ্র সরকার বলছে বাড়িতে থাকতে অন্যদিকে বাড়িতে খাবারের যোগান শূন্য। পকেটেও টান পড়েছে। সেদিকে প্রধানমন্ত্রীর কোন নজর নেই যে কিভাবে অসহায় মানুষগুলো চলবে। তাদের আর্থিক অবস্থা একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে।একদিকে প্রধানমন্ত্রী বলছেন “এক দেশ, এক রেশন কার্ড” আর অন্যদিকে রেশনে শুধু চাল। দেশের মানুষ কি তবে শুধু চাল সেদ্ধ করে চিবিয়ে খাবে? ভাতের সাথে অন্যান্য খাবার আসবে কোথা থেকে তার ব্যবস্থা নেই। শুধু লকডাউন করে বাড়িতে থাকো। এতেই নাকি করোনা দেশ থেকে বিদায় নেবে ১৬ই মে। প্রধানমন্ত্রীর কথাতে হাসিও পায়, আবার চোখে জলও আসে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী বলছেন দেশে মহামারীর মোকাবিলা করতে হবে আর অন্যদিকে বিমানবন্দর বেসরকারিকরণ করে দিচ্ছেন। এদিকে বলছেন কৃষকেরা চাষ করবে আবার অন্যদিকে বলছেন চাষের জিনিষ যেখানে ইচ্ছে বিক্রি করতে, মানে দেশের অসহায় অবস্থাকে কাজে লাগিয়ে বেঁচে দিতে চাইছে বিদেশীদের হাতে। আবার বলছে বিদেশের কোন দ্রব্য ব্যবহার করা যাবে না। দেশের দ্রব্যের উপর জোর দিতে হবে। লুটের সাম্রাজ্যের অধিপতি হয়ে থাকতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর এইরকম একটা অবস্থায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করছেন রাজ্যের কোন মানুষ অনাহারে মরবে না বা অভুক্ত থাকবে না। পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফিরতে যেখানে কেন্দ্র সরকার ট্রেনের টিকিট কাটতে বলছেন সেখানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলছেন বিনা খরচে এই রাজ্যের শ্রমিকদের ফেরানোর ব্যবস্থা করবেন। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তৃণমূল নেতৃত্ব থেকে জন প্রতিনিধিরা খাদ্য সামগ্রী তুলে দিচ্ছেন এই অসহায় মানুষগুলোর হাতে।

সাম্প্রতিক রাজপুর সোনারপুর পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডে মহা নিব্বার্ণ মঠের সহযোগিতায় ৪৫০ জনকে পৌরমাতা পাপিয়া হালদার ওয়ার্ডের পক্ষ থেকে কিছু খাদ্য সামগ্রী তুলে দিলেন।এই মহান সেবায় মঠের পক্ষে থেকে স্বয়ং স্বামীজি নিজে উপস্থিত থেকে সকলকে গর্বিত ও উৎসাহিত করেছেন।পৌরমাতা পাপিয়া বলেন স্বামীজির এই মহা মূল্যবান সময় পেয়ে আমরা তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ।আমি ধন্যবাদ জানাই এই মহান কাজে আমাদের মধ্যে উপস্থিত হয়ে ছিলেন দক্ষিন ২৪ পরগনা জেলার এস সি,এস টি ও ওবিসি সেলের সভাপতি শ্রী বাপন নস্কর। এদিন অসহায় মানুষের হাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু জিনিস যেমন চাল,ডাল,আলু,সোয়াবিন,তেল,বিস্কুট ও মশলা ইত্যাদি তুলে দেওয়া হয়।লকডাউন বেড়েছে,ধীরে ধীরে কিছু সমস্যা বাড়বে বলে আশঙ্কা করছি।কিন্তু এই ভাবে সবাই পাশে থাকলে এই এক নম্বর ওয়ার্ড যেমন উন্নয়নে এক নম্বরে আছে তেমনিই সেবার নিরিখেও এক নম্বরেই থাকবে।

Visit us at : abptakmaa.com
Follow us at : https://www.facebook.com/abptakmaa.newspaper/
https://twitter.com/abptakmaa

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *