বাংলার মুখ

পশ্চিমবঙ্গের লোকসভা কেন্দ্রের ৪২টা তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর নাম প্রকাশ হলেও অসন্তোষ থেকে গেল

অম্বর ভট্টাচার্য, এবিপিতকমা, কলকাতা, ১১ই মার্চ ২০১৯  ঃ       ১৭তম লোকসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হতেই তড়িঘড়ি মমতা ব্যানার্জি নামের লিস্ট নিয়ে চুরান্ত পর্যায়ের কাজে বসে পড়লেন এবং নাম ঘোষণা করে ফেললেন কারণ হাতে তেমন একটা সময় নেই, মাত্র এক মাস সময়। ৪২টা লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম নীচে দেওয়া হল। এরমধ্যে কয়েকটা আসন এখনই বলা যায় যে তৃণমূল জিতছে কিন্তু বেশ কয়েকটা আসন বিরোধীদের প্রার্থী তালিকা না প্রকাশ হওয়া পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না। তবে বসিরহাট, কৃষ্ণনগর, রানাঘাট, বসিরহাট, যাদবপুর, মথুরাপুর এবং উত্তরবঙ্গের কিছু আসন নিয়ে তৃণমূলকে হয়তো বেগ পেতে হবে। এখনই কিছু হলফ করে বলা যাচ্ছে না। তবে লড়াই হবে সেটা নিশ্চিত। বিজেপি সেভাবেই প্রার্থী তালিকা তৈরি করেছে যেখানে তৃণমূলকে বেগ পেতে হয়। ইতিমধ্যে শঙ্কুদেব পান্ডা, অর্জুন সিং, সৌমিত্র খাঁ, ভারতী ঘোষ বিজেপি প্রার্থী হিসেবে চুরান্ত তালিকায় আছে। এখন দেখার শোভন চ্যাটার্জি ও বৈশাখী ব্যানার্জি বিজেপি থেকে প্রার্থী হয় কিনা! বিজেপি কোন নতুন চমক দেয় কিনা এখন দেখার? মুকুল রায় কি দাওয়াই ঠিক করে রেখেছেন তৃণমূলের ঘর ভাঙতে। এটা যদিও মুকুল রায়ের কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ।

দার্জিলিং         – অমর সিং রাই (নতুন)।

জলপাইগুড়ি    – বিজয় চন্দ্র বর্মন বলা যাচ্ছে না।

কোচবিহার     – পরেশচন্দ্র অধিকারী( নতুন) বলা যাচ্ছে না।
আলিপুরদুয়ার – দশরথ তিরকে ( নতুন) বলা যাচ্ছে না।
রায়গঞ্জ          – কানাইলাল আগরওয়াল ( নতুন) লড়াই হবে। সিপিএমের জেতা আসন।
বালুরঘাট       – অর্পিতা ঘোষ বলা যাচ্ছে না।
মালদহ উত্তর  – মৌসম বেনজির নূর ( নতুন) বলা যাচ্ছে না। গতবার এই আসনে উনি কংগ্রেসের টিকিতে জয়ী প্রার্থী।
মালদহ দক্ষিণ – মোয়াজ্জেম হোসেন
জঙ্গিপুর          – খলিলুর রহমান ( নতুন) কংগ্রেস জিতেছিল, এবারও সম্ভবনা আছে।
মুর্শিদাবাদ       – আবু তাহের খান ( নতুন) লড়াই হবে।গতবার সিপিএমের জেতা আসন।
বহরমপুর       –  অপূর্ব সরকার ( নতুন) লড়াই হবে।অধীর চৌধুরীর দীর্ঘদিনের জেতা আসন।
কৃষ্ণনগর        – মহুয়া মৈত্র ( নতুন) গতবার তাপস পাল তৃণমূলের টিকিটে জিতেছিলেন। সত্যব্রত মুখার্জি প্রার্থী হলে লড়াই হবে।
রানাঘাট         – রূপালি বিশ্বাস ( নতুন) গতবার তৃণমূলের জেতা আসন।
বর্ধমান পূর্ব     – সুনীল মণ্ডল। গতবার তৃণমূলের টিকিটে জিতেছিলেন।
বর্ধমান দুর্গাপুর – মমতাজ সংঘমিত্রা গতবার তৃণমূলের টিকিটে জিতেছিলেন, এবারও জিতবেন।
আসানসোল     – মুনমুন সেন, বিজেপির বাবুল সুপ্রিয় এই আসনে জিতেছিলেন, লড়াই হবে।
বোলপুর         – অসিত মাল গতবার তৃণমূলের টিকিটে জিতেছিলেন, এবারও জিতবেন।ভরসা অনুব্রত মণ্ডল।
বীরভূম          – শতাব্দী রায় গতবার তৃণমূলের টিকিটে জিতেছিলেন, এবারও জিতবেন।
বনগাঁ            – মমতাবালা ঠাকুর বলা যাচ্ছে না।
ব্যারাকপুর    – দীনেশ ত্রিবেদী গতবার তৃণমূলের টিকিটে জিতেছিলেন, এবারও জিতবেন।
হাওড়া          – প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় বলা যাচ্ছে না।
উলুবেড়িয়া   – সাজদা আহমেদ বলা যাচ্ছে না।
শ্রীরামপুর     – কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, গতবার তৃণমূলের টিকিটে জিতেছিলেন, এবারও জিতবেন।
হুগলি           – রত্না দে নাগ
আরামবাগ   – অপরূপা পোদ্দার গতবার তৃণমূলের টিকিটে জিতেছিলেন।
তমলুক        – দিব্যেন্দু অধিকারী, উপনির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে জিতেছিলেন, এবারও জিতবেন।
কাঁথি           – শিশির অধিকারী, গতবার তৃণমূলের টিকিটে জিতেছিলেন, এবারও জিতবেন।
ঘাটাল         – দীপক অধিকারী( দেব) গতবার তৃণমূলের টিকিটে জিতেছিলেন, এবারও জিতবেন।
ঝাড়গ্রাম     – বীরবাহা সোরেন ( নতুন) বলা কঠিন।
মেদিনীপুর   – মানস ভুঁইয়া ( নতুন), গতবার সন্ধ্যা রায় তৃণমূলের টিকিটে জিতেছিলেন, এবার কিছুটা লড়াই হবে।
পুরুলিয়া     – মৃগাঙ্ক মাহাত
বাঁকুড়া       – সুব্রত মুখোপাধ্যায় ( নতুন), গতবার তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী ছিলেন মুনমুন সেন, এবারও জিতবে।
বিষ্ণুপুর      – শ্যামল সাঁতরা ( নতুন) তৃণমূলের টিকিটে গতবার সৌমিত্র খাঁ জয়ী হন, এবার তিনি বিজেপি প্রার্থী। লড়াই হবে।
দমদম        – সৌগত রায়, তৃণমূলের জেতা আসন, এবারও জিতবে।
বারাসত     – কাকলি ঘোষ দস্তিদার, তৃণমূলের জেতা আসন, এবারও জিতবে।
বসিরহাট    – নুরসরত জাহান (নতুন) তৃণমূলের আসন ছিল, উপনির্বাচনে ইদ্রিস আলি জিতেছিলেন, এবার লড়াই হলেও জিতবে।
জয়নগর     – প্রতিমা মণ্ডল গতবার তৃণমূলের টিকিটে জিতেছিলেন, এবারও জিতবেন।
মথুরাপুর    – চৌধুরী মোহন জাটুয়া গতবার তৃণমূলের টিকিটে জিতেছিলেন, এবার কঠিন হতে পারে।
ডায়মন্ডহারবার – অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় গতবার তৃণমূলের টিকিটে জিতেছিলেন, এবারও জিতবেন।
যাদবপুর    – মিমি চক্রবর্তী ( নতুন), গতবার সাংসদ ছিলেন সুগত বসু।
কলকাতা দক্ষিণ – মালা রায় ( নতুন)। গতবার প্রথমে ছিলেন স্বয়ং মমতা ব্যানার্জি পরবর্তীতে উপনির্বাচনে সুব্রত বক্সি সাংসদ হন।
কলকাতা উত্তর – সুদীপ ব্যানার্জি বলা কঠিন।

Leave a Reply