রাজনীতি

পাড়ায় মিমি মানেই একটা উন্মাদনা, যাদবপুর কেন্দ্রের কলকাতা কর্পোরেশনের ১১৪ নং ওয়ার্ড ভুগছে মিমি জ্বরে

অম্বর ভট্টাচার্য, এবিপিতকমা, কলকাতা, ১৪ই মে ২০১৯ ঃ    যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্র একেবারে শেষ দফায় ভোট, মানে ১৯শে মে। তার আগে শেষবারের মত টালিগঞ্জ বিধানসভার বিধায়ক ও রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ছোঁয়ায় ফের একবার রোড শো করে গেলেন এই লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী মিমি চক্রবর্তী। অরূপ বিশ্বাসের নেতৃত্বে মিমি রোড শো করল কলকাতা কর্পোরেশনে ১০৯, ১১১, ১১২, ১১৩ ও ১১৪ নং ওয়ার্ডে। ১১৪ নং ওয়ার্ডের পুরপিতা বিশ্বজিত মন্ডল বলেন, আমার ওয়ার্ড এখন একপ্রকার মিমি জ্বরে ভুগছে। মানুষ মিমিকে পেয়ে ভীষণ ভাবে আপ্লুত তার থেকে আরও বেশি আপ্লুত ও অভিভুত মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে পেয়ে। টালিগঞ্জে যে উন্নয়ন হয়েছে তার একমাত্র কৃতিত্ব মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের। মানুষ আমাদের মুখে শুধু শুনেছেন বিভিন্ন মিটিং-এ যে অরূপ বিশ্বাসের সহযোগিতায় এই উন্নয়ন হয়েছে আজ তাকে হাতের সামনে দেখে মানুষ আপ্লুত। এটা বলতে পারি আমার ওয়ার্ডের মানুষ উন্নয়নের পক্ষেই ভোট দেবেন এবং ১৯শে মে ভোটিং মেশিনে ৪ নং বোতাম টিপেই ভোট দেবে রাজ্যের উন্নয়নের কান্ডারী মমতা ব্যানার্জির স্বপ্নকে সফল করতে। আমার ওয়ার্ডে সেভাবে বিজেপি-র তেমন কোন প্রভাব নেই আর সিপিএম তো এখন আর কেউ করেই না বললে চলে, এছাড়া কংগ্রেসের তো সেভাবে কোন অস্তিত্ব নেই আমার ওয়ার্ডে। সিপিএম প্রার্থী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের উপর মানুষ এতটাই ক্ষিপ্ত যে ভোটের আশা করাটাই অর্থহীন। তিনি মেয়র থেকাকালীন আমার ওয়ার্ডের ব্যবসায়ীদের কথা দিয়েছিলেন একটা সুপার মার্কেট করে দেবেন কারণ এখানে রাস্তার উপর বাজার রয়েছে বহু যুগ ধরে। সেই প্রতিশ্রুতি তিনি রাখেন নি। ব্যবসায়ীরা এমনিতেই ক্ষিপ্ত। এছাড়া বিজেপিকে তো দেখলেন আজ কলেজ স্ট্রীট চত্ত্বরে কিভাবে তান্ডব চালিয়েছে। যার দৌলতে আমরা বাংলা শিখেছি তাকেই সম্মান করে নি। সেই বিদ্যাসাগর, বিবেকানন্দের মুর্তিকে ভেঙে গুড়িয়ে দিয়েছে।ভোট আসার আগে থেকেই মানুষের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। মানুষ দেখছে বিজেপি-র এই নোংরা সংস্কৃতি। তার পরে তাদের দিকে আর তাকাবে না আমার ওয়ার্ডের মানুষ। গ্যাসের দাম, জিএসটি, নোটবন্দি, জ্বালানি তেলের দাম, বাজার দর নিয়ে এমনিতেই মানুষ ভুগছে।

Leave a Reply