You cannot copy content of this page

জেআইএস গোষ্ঠীর অভিনব ঘোষণা ‘জেআইএস আইডিয়া-ও-মিটার’ পূর্ব ভারতে এই প্রথম কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক গণ-অর্থায়ন প্রকল্প

অম্বর ভট্টাচার্য, এবিপিতকমা, কলকাতা, ৪ঠা জুন ২০২০ : ভারতের বৃহৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে অন্যতম জেআইএস শিক্ষা গোষ্ঠী বৃহস্পতিবার ঘোষণা করলো ‘জেআইএস আইডিয়া-ও-মিটার’ প্রকল্প। একটি অনলাইন গণ-অর্থায়ন (ক্রাউডফান্ডিং) প্ল্যাটফর্ম যা কিনা কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পূর্ব ভারতে এই প্রথম। ‘জেআইএস আইডিয়া-ও-মিটার’-এ এবার থেকে কোনও ব্যক্তি নিজ উদ্ভাবনী দক্ষতা দেখানোর সুযোগ পাবেন। যার সঙ্গে থাকবে গণ-অর্থায়নের মাধ্যমে বিনিয়োগের সুযোগ। এই প্রকল্পটিতে অংশ নিতে পারবেন ৩৭০০০ এর উপর বর্তমানে পাঠরত জেআইএস শিক্ষা গোষ্ঠীর ছাত্রছাত্রীরা, শিক্ষকসমূহ, সকল কর্মচারী এবং গত কুড়ি বছরের সকল প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীরাও। এর বাইরেও কেউ যদি এখানে নিজেকে নথিভুক্ত করতে চান তাহলে তাঁকে কোনও একজন জেআইএস গোষ্ঠীর সদস্যকে সঙ্গে নিতে হবে।

‘জেআইএস আইডিয়া-ও-মিটার’-এর মূল উদ্দেশ্য হলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে স্বনির্ভরতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। এখানে বিভিন্ন বিভাগে নিজস্ব উদ্ভাবনী প্রকল্প জমা দেওয়া যাবে। এর মধ্যে আছে রোবোটিক্স, ফ্রাঞ্চাইজি, বিনোদন, সাহিত্য, সামাজিক দায়বদ্ধতা ছাড়াও অন্যান্য বিভাগ। এটি অন্যান্য অনলাইন গণ-অর্থায়ন প্ল্যাটফর্মের মতোই সবচেয়ে উদ্ভাবনী প্রকল্পকে বেছে নেওয়ার কাজ করবে আর সঙ্গে থাকবে সেই সকল প্রকল্পে সম্পূর্ণ বিনিয়োগের সুযোগ।

সাম্প্রতিক ভারতীয় অর্থনীতি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রর এক প্রতিবেদনে দেখা গিয়েছে দেশে শুধুমাত্র গত এপ্রিল মাসে লকডাউনের কারণে প্রায় আড়াই কোটির বেশি ২০-৩০ বছর বয়সী যুবক-যুবতী কর্মচ্যুত হয়েছেন। ইন্টারন্যাশনাল লেবার অরগানাইজেশনের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী এই অতিমারী করোনা ভাইরাসের প্রকোপে বিশ্বব্যাপী প্রায় ৩০ কোটিরও বেশি মানুষ জীবিকা হারিয়েছেন। বিশ্বব্যাপী এই পরিস্থিতিতে ‘জেআইএস আইডিয়া-ও-মিটার’-এর মাধ্যমে সেই স্বনির্ভরতার দিকেই এগিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে মনে করছেন জেআইএস গোষ্ঠীর কর্মকর্তারা।

জেআইএস শিক্ষা গোষ্ঠীর উদ্যোগে গঠিত একটি কয়েক সদস্যের প্যানেল অনলাইনে জমা হওয়া প্রকল্পগুলির যোগ্যতা নির্ধারণ করবেন এবং তার বৈধতার বিচার করবেন। যদিও প্যানেলিস্টরা প্রকল্পগুলিতে বিনিয়োগের বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না। নিজ প্রকল্প জমা দেওয়ার পর সেই ব্যক্তিকে জেআইএস গোষ্ঠীর সদস্যদের সমর্থনের অপেক্ষায় থাকতে হবে। সঙ্গে চালিয়ে যেতে হবে প্রয়োজনীয় প্রচার। যাতে সেই প্রকল্পটি সবার নজরে নিয়ে আসা যায়। তবেই সেই সকল প্রকল্পের আশানুরূপ বিনিয়োগ পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

এ বিষয়ে জেআইএস গোষ্ঠীর ম্যানেজিং ডিরেক্টর শ্রী তরণজিৎ সিং জানালেন, “এই অতিমারী গোটা বিশ্বে এক সাংঘাতিক প্রভাব ফেলেছে। তাই আজকের দিনে এই জেআইএস আইডিয়া-ও-মিটার যে কোনও উদ্ভাবনী ও গ্রহণযোগ্য চিন্তাভাবনাকে বিনিয়োগের সাহায্য দিতে এগিয়ে আসবে। এর ফলে অর্থাভাবে কোনও ভালো প্রকল্প যাতে বন্ধ না হয়ে যায় সেটা দেখাই এই গণ-অর্থায়নের মূল লক্ষ্য।” তিনি আরও বলেন যে সময়ের সঙ্গে যদি বিশেষ কিছু প্রকল্পের আরও তহবিলের প্রয়োজন পড়ে তাহলেও নতুন তহবিল পেতে সাহায্য করা হবে উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে। প্রচারে : ক্যানডিড কমিউনিকেশন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *