প্রথম পাতা বিনোদন

আরিয়া মিডিয়া এবং জয়দীপ রায় প্রযোজিত শর্ট ফিল্ম প্লট নম্বর ৬৬৬ এর পোস্টার মুক্তি পেল

অম্বর ভট্টাচার্য, তকমা, কলকাতা, ৩রা ডিসেম্বর ২০১৮ ঃ   জয়দীপ রায়েরই গল্প অবলম্বলে এই সিনেমার স্ক্রিপ্ট লেখা এবং সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন কল্লোল নস্কর। সহপরিচালনা করেছেন সায়ন্তন সেন। এছাড়া পরিচালকদের কাজে সাহায্য করেছেন পায়েল দে এবং শৌভিক কুণ্ডু। অভিনয়ে রয়েছেন- সোমনাথ চক্রবর্তী, লাবণি দাস, সম্পূর্ণা নাহা এবং জ্যোতির্ময় মন্ডল। এই শর্ট ফিল্মে ক্যামেরার দায়িত্ব সামলেছেন শুভম মাইতি। প্লট নম্বর ৬৬৬ প্রসঙ্গে পরিচালক কল্লোল নস্কর জানালেন- ‘একটা বয়স্ক লোকের বাড়ি ছিল। তিনি মারা যাওয়ার পর সেটা দীর্ঘদিন ধরে পরে আছে। একদিন একটা বাচ্চা মেয়ে একটা স্মাইলি বল নিয়ে খেলতে খেলতে সেই বাড়ির ওখানে চলে যায় কিন্তু আর ফেরে না। এরপর কলকাতায় চাকরী করা একটা মেয়ে কিছুদিন পর সেই বাড়িতে ভাড়া নিয়ে আসে। একটা দালাল তাকে বাড়িটা কম দামে ভাড়া দেয়। সে চাবি খুলে বাড়িতে ঢুকে জিনিসপত্র রাখার পর কিছু ভৌতিক কার্যকলাপ শুরু হয়। সে ভয় পেয়ে তাড়াতাড়ি বাড়ি থেকে বেরোতে যায়, কিন্তু পারেনা। বাড়ির মধ্যেই আটকা পরে থাকে। এখানেই গল্পটা শেষ হয়। দর্শকরা যখন দেখবেন পুরো গল্পটা আরও ভালো করে বুঝতে পারবেন।’ সহপরিচালক সায়ন্তন সেন এই সিনেমা নিয়ে কি বললেন শুনে নেওয়া যাক- ‘প্রায় এক মাস আগে একদিন কল্লোলদা আমাদের বাড়ি আসে এবং একটা গল্প শোনায়। তারপর বলে গল্পটা কেমন লাগলো। আমি বললাম বেশ ভালোই। তারপর ও বলে এই গল্প নিয়ে একটা শর্ট ফিল্ম করব ভেবেছি। তুই যদি সঙ্গে থাকিস সহপরিচালক হিসাবে খুব ভালো লাগবে। আমি রাজি হয়ে যাই। কারণ কল্লোলদা এর আগে ফিচারে কাজ করেছে। তাই ওর সাথে কাজ করার ইচ্ছা অনেকদিন ধরেই ছিল। ফাইনালি আমাদের শর্ট ফিল্মটা শুট হয় যাদবপুরে। খুব ভালো লেগেছে কল্লোলদার সঙ্গে কাজ করে। অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। আমাদের সিনেমায় যারা অভিনয় করেছে তারাও খুব ভালো কাজ করেছে। টেক নিতে কম হয়েছে। আর একজনের কথা বলবো। আমাদের ফটোগ্রাফার শুভম। শুভম এর সঙ্গে আমার কলেজ থেকে পরিচয়। তবে এখন সিনেমার সূত্রে আমাদের দেখাটা বেশি হয়। খুব ভালো করে কাজ করেছে ও। আমরাও যতটা সম্ভব হেল্প করেছি। একটা দারুন অভিজ্ঞতা হয়েছে।’ অভিনেতা সোমনাথ চক্রবর্তী জানালেন, ‘আমি এই সিনেমায় একজন রিক্সা চালকের ভূমিকায় অভিনয় করছি। রিক্সায় অনেকবার চরেছি। কিন্তু প্রথম রিক্সা চালানোর অভিজ্ঞতা অন্যরকম। আশাকরি সবার খুব ভালো লাগবে।’ এই সিনেমায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল অভিনেত্রী লাবণি দাসের। এই সিনেমায় অভিনয়ের অভিজ্ঞতা তিনি বিশ্ব বাংলা সংবাদের কাছে শেয়ার করলেন। লাবণি জানালেন, ‘এর আগে কয়েকটা শর্ট ফিল্ম করেছি। তবে এরকম হরোর টাইপের শর্ট ফিল্মে কাজ করার অভিজ্ঞতা এই প্রথম। খুব ভাল লেগেছে কাজ করে। শুটিং-এর সময় অনেক মজা করেছি। কল্লোল দা এবং সায়ন্তন খুব হেল্প করেছে। আশা করি দর্শকদেরও ভালো লাগবে। সিনেমার ফটোগ্রাফার শুভম মাইতি আমাদের জানালেন- ‘কল্লোলদার গোটা বিষয়ে একটা স্বচ্ছ ধারণা বরাবরই ছিল যেটা প্রথম দিন থেকেই আমার ভালো লেগেছিল। কোন শট কিভাবে নিতে চাই সেই নিয়ে একটা স্পষ্ট মত ছিল। তাই কল্লোলদা প্রথম যখন গল্পটা বলে সেটা ভিসুয়ালাইজ করতে অসুবিধা হয়নি। আর হরোর জেনার বলে লাইটিং এর এক্সপেরিমেন্টের সুযোগ থাকায় বাড়তি উৎসাহ পেয়েছিলাম। আর সায়ন্তন তো আমার সব কাজকেই খুব ভালোভাবে সাপোর্ট করে। সব মিলিয়ে অসাধারণ সম্মিলিত প্রচেষ্টা। বাকিটা দর্শকরা বলবে।’

Leave a Reply