খবরাখবর প্রথম পাতা রাজনীতি

১৯শে জানুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশের সমর্থনে গড়িয়া ট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে পথসভা মঞ্চে চাঁদের হাট

অম্বর ভট্টাচার্য, তকমা, গড়িয়া স্টেশন, ৯ই জানুয়ারি ২০১৯ ঃ       আগামী লোকসভা নির্বাচনে দিল্লির গদি থেকে বিজেপিকে উৎখাত করতে মরিয়া তৃণমূল। একইসাথে এবার দিল্লির গদিতে সারা রাজ্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাইছে মমতা ব্যানার্জিকে। আর সেই লক্ষ্যকে সার্থক করতে আগামী ১৯শে জানুয়ারি মমতা ব্যানার্জি ব্রিগেড সমাবেশের ডাক দিয়েছেন। এই সমাবেশকে সফল করতে সারা রাজ্যে চলছে পথসভা থেকে জনসভা। মমতা ব্যানার্জি স্লোগান তুলেছেন “২০১৯, বিজেপি ফিনিশ” আর তা করতেই হবে। তাই সাম্প্রতিক গড়িয়া স্টেশন ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে এক বিশাল পথসভার আয়োজনের উদ্যোক্তা ছিলেন আই এন টি টি ইউ সি গড়িয়া স্টেশনের আহ্বয়ক পিন্টু দেবনাথ ও গনেশ প্রসাদ। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক ফিরদৌসী বেগম, উত্তর সোনারপুর বিধানসভার সাংগঠনিক নেতা ও রাজপুর সোনারপুর পৌরসভার সি এই সি নজরুল আলি মন্ডল, শিক্ষক বিজন সরকার, গৌতম পাইন, দঃ ২৪ পরগণা জেলা আই এন টি টি ইউ সি সভাপতি শক্তিপদ মন্ডল, অশোক হোর, পৌরমাতা পাপিয়া হালদার, পৌরপিতা তরুণ কান্তি মন্ডল, সোনারপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রবীর সরকার, অরুণ চক্রবর্তী, ইসরাফিল সরদার, মহিউদ্দিন মন্ডল (মানু), মিন্টু কুন্ডু, প্রদীপ চক্রবর্তী সহ অনেকে। বক্তব্যে বিধায়ক ফিরদৌসী বেগম বলেন, মমতা ব্যানার্জি সারা রাজ্যের মানুষের জন্য দিবারাত্র উন্নয়নের চিন্তা করে চলেছেন। একমাত্র মমতা ব্যানার্জি যিনি সারা রাজ্যের মানুষের জন্য জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে সুরক্ষিত রাখার জন্য বদ্ধপরিকর। শুধু তাই নয় মানুষের মাথার ছাদ থেকে খাদ্য সুরক্ষা নিয়েও তিনি বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে সুরক্ষিত করেছেন। বিজন সরকার বলেন, কেন আসবেন ১৯শে জানুয়ারি ব্রিগেডে? আসার একটাই কারণ সারা দেশে যদি মানবদরদী নেত্রী থাকেন তার নাম মমতা ব্যানার্জি যিনি দিল্লির প্রধানমন্ত্রী হলে দেশের মানুষের দুঃখ বলে কিছু থাকবে না যেমনটা আজ রাজ্যে নেই। আজ আর লোডশেডিং নেই, আজ আর আমলাশোলে মানুষকে পিপড়ের ডিম খেতে হয় না। অশোক হোর বলেন, ১৯শে জানুয়ারি দিনটা একবার চোখ বন্ধ করে ভাবুন। ছোট্ট শচিন তেন্দুলকরের সামনে টনি গ্রেগ, ম্যালকম মার্শালের মত বিশাল বিশাল ভারতের রাজনৈতিক মহারথিরা ময়দানে একসাথে খেলতে আসছেন যার নেতৃত্ব দেবেন সচিন (মমতা ব্যানার্জি)। পাপিয়া হালদার বলেন, আমি একজন মহিলা আর তার থেকে বড় আমরা একজন মহিলার নেতৃত্বে রাজনীতিটা করি যিনি উন্নয়ন ছাড়া কিছু বঝেন না। আমরা আজ যে উন্নয়ন করি সেটাও তাঁরই অনুপ্রেরণায়।সভাস্থল সমর্থক, নেতা ও শ্রোতাদের সংখ্যায় থিকথিক করছিল। পথচলতি মানুষেরাও বক্তব্য শোনার জন্য দাঁড়িয়ে যান। মঞ্চে বক্তাদের সংখ্যা এতটা বেশি ছিল যে সকলে বক্তব্য রাখতে পারেন নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *