You cannot copy content of this page

সলিল চৌধুরী স্মরণে পি সি চন্দ্র গার্ডেনে “সলিল সন্দ্যা”য় একঝাঁক শিল্পী

অম্বর ভট্টাচার্য, এবিপিতকমা, কলকাতা, ১২ই নভেম্বর ২০১৯ : বাংলা ও হিন্দী গানের দুনিয়ায় সলিল চৌধুরী ছিলেন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। এই কিংবদন্তি সুরকারের ৯৪তম জন্মবার্ষিকীকে স্মরণীয় করে রাখতে পি সি চন্দ্র গার্ডেন ও সলিল চৌধুরী ফাউন্ডেশন অফ মিউজিক, সোশ্যাল হেল্প ও এডুকেশন ট্রাস্ট-এর যৌথ উদ্যোগে এক সঙ্গীত সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছিল। এই সন্ধ্যায় অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশনের জন্য উপস্থিত ছিলেন শ্রীকান্ত আচার্য্য, মনময় ভট্টাচার্য, শ্রীরাধা ব্যানার্জি ও সলিল চৌধুরীর সুযোগ্যা কন্যা অন্তরা চৌধুরী। এছাড়া সলিল চৌধুরী ফাউন্ডেশন অফ মিউজিকের পক্ষে সুরধনীর ছাত্রছাত্রীরা সঙ্গীত পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অন্যতম কিংবদন্তি শিল্পী হৈমন্তী শুক্লা।

সলিল চৌধুরী ১৯২৫ সালে গাজিপুরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি বাড়িতেই সঙ্গীত সাধনা করেন এবং ১৯৪৯-১৯৫০ সালে প্রথম এইচ এম ভি-তে সুরকার হিসেবে কাজ শুরু করেন।তিন দশক ধরে তাঁর সুরে বাংলার প্রায় অধিকাংশ শিল্পী সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন। নিজের কন্যা অন্তরার জন্য শিশু সঙ্গীতের সুর রচনা ছিল তাঁর একটা অনন্য সৃষ্টি। ১৯৫১ সালে তিনি প্রথম বাংলা ছবি পরিবর্তনে সুরকার হিসেবে কাজ করেন। এরপর তিনি ১৯৫৩ সালে মুম্বাই চলে যান এবং প্রথম হিন্দি ছবি “দো বিঘা জমিন”-এ সুরকার হিসেবে কাজ করেন।প্রায় ৬০টা ছবিতে তিনি সুর করেন যার মধ্যে রয়েছে মধুমতি, জাগতে রাহো, কাবুলিওয়ালা, আনন্দ, রজনীগন্ধা সহ আরও অনেক।ভারতের এমন কোন শিল্পী নেই যিনি তাঁর সুরে গান করেন নি।ভারতে তিনি একমাত্র শিল্পী যিনি ভারতীয় ১০টি ভাষায় গানের সুর করেন। জীবনে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংগঠন থেকে অসংখ্য পুরস্কার লাভ করেছেন। এমনকি বাংলাদেশ সরকার তাঁকে মরণোত্তর মুক্তি যোদ্ধা মৈত্রীই সম্মান পুরস্কার দেন ২০১২।৫ই সেপ্টেম্বর ১৯৯৫ সালে তিনি সুরের মায়া ত্যাগ করে চলে যান। প্রচারে : Pinnacle Communiq

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *