You cannot copy content of this page

জিএনআইপিএসটি ক্যাম্পাসে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং সামাজিক শিল্পোদ্যোগে এমবিএ কোর্স চালু করল

অম্বর ভট্টাচার্য, এবিপিতকমা, কলকাতা, ৮ই নভেম্বর ২০১৯ : ভারতে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করেন। তাঁরা উৎসবের পার্বনে মেতে ওঠেন আনন্দে। বছরভর বিভিন্ন উৎসব লেগেই আছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে একটি বিশেষ দিক নজরে পড়েছে। দেখা গেছে, উৎসবের শেষে মাঠ–ঘাট, জলাশয়, উদ্যান দূষিত হয়ে পড়ছে। সেগুলি দেখতে যেমন খারাপ হয়ে যায়, তেমনই পরিবেশেরও ক্ষতি হয়। প্রভাব পড়ে স্বাস্থ্যেও। তাই এই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিষয়টি অনেক আগেই ধরতে পেরেছিল জেআইএস বিশ্ববিদ্যালয়। তাই তারা বিশেষ এমবিএ কোর্স চালু করল। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং সামাজিক শিল্পোদ্যোগ। এই ধরনের কোর্স এই প্রথম কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করল। সোদপুরের গুরু নানক ইন্সটিটিউট অফ ফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্সে অ্যান্ড টেকনোলজি (‌জিএনআইপিএসটি)‌ ক্যাম্পাসে, বৃহস্পতিবার। এমবিএ–র পাঠ্যক্রম তৈরিতে সাহায্য করেছে এমজিএনসিআরই (‌মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ রুরাল এডুকেশন)। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক। সেখানে আয়োজিত দু’দিনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং সামাজিক শিল্পোদ্যোগ বিষয়ে শিল্প–শিক্ষা অনুষ্ঠানে নতুন কোর্সের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

এমজিএনসিআরই–এর চেয়ারম্যান ডা.‌ ডব্লু জি প্রসন্ন কুমার একটি লিখিত বিবৃতি দিয়ে জানান, ‘পরিবেশ স্বচ্ছ রাখার জন্য প্রশিক্ষিত কর্মীর দরকার। এবং তাঁদের সংখ্যাও বড়সড় হতে হবে। এখন যুব সমাজের মধ্যে চাকরি নিয়ে সঙ্কট রয়েছে। অন্যদিকে, প্রযুক্তি চিরাচরিত চাকরির বাজারকে ছোট করে দিচ্ছে। সেখানে পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা যুব সমাজের জন্য চাকরির ক্ষেত্রে নতুন দিশা দেখাতে পারে। এর মাধ্যমে চারপাশ আরও ঝকঝকে হয়ে উঠতে পারে। আমাদের ভবিষ্যৎ আরও সুরক্ষিত হয়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকছে। আমরা আরও ভাল ভাবে বাঁচতে পারব। কাজেই এটা বলা যেতে পারে যাঁরা এই বিষয় নিয়ে পড়বেন, তাঁরা শুধু জীবনে প্রতিষ্ঠা পাবেন না, তাঁরা সুস্থ সমাজের জন্যও অনেকটা কাজ করবেন।’

জেআইএস গ্রুপের ডিরেক্টর সীমারপ্রীত সিং বলেন, ‘ কোনও সমস্যা সমাধানের জন্য ‌শিল্প এবং শিক্ষা ক্ষেত্রের বিশিষ্টরা একসঙ্গে কাজ করলে ব্যবস্থাপনা আরও ভাল হয়ে উঠতে পারে। শিল্পসংস্থাগুলি কী চাইছে সে জন্য পড়ুয়াদের আরও ভাল করে শিখিয়ে পড়িয়ে দেওয়াটা সবসময় দরকার। তাতে কাজের বাজারে তাদের চাহিদা আরও বাড়বে। বিভিন্ন সমস্যার সমাধান খুঁজতে, শিল্পসংস্থাগুলিকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে এই উদ্যোগ। ভারতকে আরও সবুজ এবং পরিষ্কার করে তুলতে এই এমবিএ কোর্স অত্যন্ত কার্যকর হবে বলে মনে করি। তৈরি করবে কর্মসংস্থান, শিল্পোদ্যোগ। তাঁরা যেমন মাঠে ঘুরে শিখতে পারবেন, তেমনই রয়েছে বিভিন্ন শিল্পসংস্থায় হাতে–কলমে কাজ করার সুযোগও। নিজের শেখার জিনিস প্রয়োগ করার সুযোগ পেয়ে তাঁরা বুঝতে পারেবন কী করে আরও সহজে কাজ শেষ করা যায়। কোনও জিনিসের পুনর্ব্যবহার, পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্যবিধানের মতো বিষয় সম্পর্কে জানতে পারেবন। এবং তাঁরা আরও বেশি মানুষকে জানাতে পারবেন।’

জি এন আই টি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডঃ শান্তনু কুমার সেন জানান,”১৬ টি শিল্প সংস্থা এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছে। ১০০টি অভিনব সৃজনশীল মডেলের ২০টি স্টল স্থাপন করা হয়েছে। জেআইএস গ্রুপের শিক্ষার্থীরা ৪ টি মডেল প্রদর্শন করেছে। আমরা প্রায় ৮ বছর আগে আমাদের ক্যাম্পাস থেকে প্লাস্টিক নিষিদ্ধ করে একটি পরিষ্কার পরিবেশের জন্য ছোট ছোট পদক্ষেপগুলি শুরু করেছি। এই গুলি শুরু করার কারন বর্জ্য এবং যথাযথ বর্জ্য অপসারণ এবং পরিষ্কার ও সবুজ পরিবেশের দিকে পরিচালিত করার জন্য উপযুক্ত প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি করা। আজকের মতো এ জাতীয় অনুষ্ঠান গুলি উপস্থাপিত করার কারন হল শিক্ষার্থীদের আরও বেশি করে এই জাতীয় প্রকল্পের সাথে যুক্ত করা এবং তাদের ও তাদের পিতামাতার মধ্যে বর্জ্যের গুরুত্ব, তার ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে একটা সম্যক ধারনা তৈরি করা। এছাড়া এই বর্জ্যকে কাজে ব্যবহার করে অধ্যয়ন ও গবেষণার মাধ্যমে কি ভাবে কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করা যায় এবং কিভাবে তা ব্যবহার এর মাধ্যমে সামাজিক উদ্যোগ সৃষ্টি করা যায় তার ধারণা আজকের নব প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা, তাদের এই বিষয়ে আরও বেশি করে অবগত করা।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবিদ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ, গবেষক, জিনিসপত্রের পুনর্ব্যবহারী সংস্থা, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, হোটেল, হাসপাতাল, কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রক এবং দপ্তর, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার প্রতিনিধি, পরিবেশবিদ, সরকারি এবং বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা, পুরসভা, উন্নয়ন পর্ষদ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রতিনিধিরা। অংশগ্রহণকারীরা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে নিজেদের কাজ, অভিজ্ঞতার কথা জানালেন। বিশিষ্ট বক্তারা জানালেন কী করে বর্জ্য ব্যবস্থপনা আরও সহজে করা যেতে পারে। জিনিসপত্রের পুনর্ব্যবহারের নিত্যনতুন উপায়ের কথাও ভাগ করে নিলেন। আলাপ–আলোচনার মাধ্যমে উঠে এল পরিবেশকে কীভাবে আরও দূষণমুক্ত করে তোলা যেতে পারে।

অনুষ্ঠানে ছিলেন জেআইএস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা.‌ বি সি মাল;
প্রফেসর দীপক কুমার চক্রবর্তী ,পাঠক্রম বিশেষজ্ঞ,এম জি এন সি আর ই,এম এইচ আর ডি; প্রফেসর ডঃ শান্তনু সেন, অধ্যক্ষ, জি এন আই আইটি; জে আই এস গ্রুপের ডিরেক্টর সিমারপ্রীত সিং;
অধ্যাপক অভিজিৎ সেন গুপ্ত, ডিরেক্টর, ফার্মা সাইন্স এন্ড টেকনোলজির,
জিএনআইটি সহ বিশিষ্টরা।

বিষয়টি অনেক আগেই ধরতে পেরেছিল জেআইএস বিশ্ববিদ্যালয়।তাই তারা বিশেষ এমবিএ কোর্স চালু করল। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং সামাজিক শিল্পোদ্যোগএই ধরনের কোর্স এই প্রথম কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করল। সোদপুরের গুরু নানক ইন্সটিটিউট অফ ফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্সে অ্যান্ড টেকনোলজি (‌জিএনআইপিএসটি)‌ ক্যাম্পাসে, বৃহস্পতিবার। এমবিএ–র পাঠ্যক্রম তৈরিতে সাহায্য করেছে এমজিএনসিআরই (‌মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল কাউন্সিল  অফ রুরাল এডুকেশন)। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক। সেখানে আয়োজিত দু’দিনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং সামাজিক শিল্পোদ্যোগ বিষয়ে শিল্প–শিক্ষা অনুষ্ঠানে নতুন কোর্সের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।  

এমজিএনসিআরই–এর চেয়ারম্যান ডা.‌ ডব্লু জি প্রসন্ন কুমার একটি লিখিত বিবৃতি দিয়ে জানান, ‘পরিবেশ স্বচ্ছ রাখার জন্য প্রশিক্ষিত কর্মীর দরকার।এবং তাঁদের সংখ্যাও বড়সড় হতে হবে। এখন যুব সমাজের মধ্যে চাকরি নিয়ে সঙ্কট রয়েছে।অন্যদিকে, প্রযুক্তি চিরাচরিত চাকরির বাজারকে ছোট করে দিচ্ছে। সেখানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা যুব সমাজের জন্য চাকরির ক্ষেত্রে নতুন দিশা দেখাতে পারে। এর মাধ্যমে চারপাশ আরও ঝকঝকে হয়ে উঠতে পারে।আমাদের ভবিষ্যৎ আরও সুরক্ষিত হয়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকছে।আমরা আরও ভাল ভাবে বাঁচতে পারব।কাজেই এটা বলা যেতে পারে যাঁরা এই বিষয় নিয়ে পড়বেন, তাঁরা শুধু জীবনে প্রতিষ্ঠা পাবেন না, তাঁরা সুস্থ সমাজের জন্যও অনেকটা কাজ করবেন।’

জেআইএস গ্রুপের ডিরেক্টর  সীমারপ্রীত সিং বলেন, ‘কোনও সমস্যা সমাধানের জন্য শিল্প এবং শিক্ষা ক্ষেত্রের বিশিষ্টরা একসঙ্গে কাজ করলে ব্যবস্থাপনা আরও ভাল হয়ে উঠতে পারে। শিল্পসংস্থাগুলি কী চাইছে সে জন্য পড়ুয়াদের আরও ভাল করে শিখিয়ে পড়িয়ে দেওয়াটা সবসময় দরকার। তাতে কাজের বাজারে তাদের চাহিদা আরও বাড়বে।বিভিন্ন সমস্যার সমাধান খুঁজতে, শিল্পসংস্থাগুলিকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে এই উদ্যোগ।ভারতকে আরও সবুজ এবং পরিষ্কার করে তুলতে এই এমবিএ কোর্স অত্যন্ত কার্যকর হবে বলে মনে করি। তৈরি করবে কর্মসংস্থান, শিল্পোদ্যোগ।তাঁরা যেমন মাঠে ঘুরে শিখতে পারবেন, তেমনই রয়েছে বিভিন্ন শিল্পসংস্থায় হাতে–কলমে কাজ করার সুযোগও।নিজের শেখার জিনিস প্রয়োগ করার সুযোগ পেয়ে তাঁরা বুঝতে পারেবন কী করে আরও সহজে কাজ শেষ করা যায়।কোনও জিনিসের পুনর্ব্যবহার, পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্যবিধানের মতো বিষয় সম্পর্কে জানতে পারেবন। এবং তাঁরা আরও বেশি মানুষকে জানাতে পারবেন।’

জি এন আই টি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডঃ শান্তনু কুমার সেন জানান,“১৬ টি শিল্প সংস্থা  এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছে।১০০টি অভিনব সৃজনশীল মডেলের ২০টি স্টল স্থাপন করা হয়েছে।জেআইএস গ্রুপের শিক্ষার্থীরা ৪ টি মডেল প্রদর্শন করেছে।আমরা প্রায় ৮ বছর আগে আমাদের ক্যাম্পাস থেকে প্লাস্টিক নিষিদ্ধ করে একটি পরিষ্কার পরিবেশের জন্য ছোট ছোট  পদক্ষেপগুলি শুরু করেছি।এই গুলি শুরু করার কারন বর্জ্য এবং যথাযথ বর্জ্য অপসারণ এবং পরিষ্কার ও সবুজ পরিবেশের দিকে পরিচালিত করার জন্য উপযুক্ত প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি  করা।আজকের মতো এ জাতীয় অনুষ্ঠান গুলি উপস্থাপিত করার কারন হল  শিক্ষার্থীদের আরও  বেশি করে এই জাতীয়  প্রকল্পের সাথে যুক্ত করা এবং তাদের ও তাদের পিতামাতার মধ্যে  বর্জ্যের গুরুত্ব, তার ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে একটা  সম্যক ধারনা তৈরি করা।এছাড়া এই বর্জ্যকে কাজে ব্যবহার করে  অধ্যয়ন ও গবেষণার মাধ্যমে কি ভাবে কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করা যায় এবং কিভাবে তা ব্যবহার এর মাধ্যমে  সামাজিক উদ্যোগ  সৃষ্টি করা যায়  তার ধারণা আজকের নব প্রজন্মের  কাছে তুলে ধরা, তাদের এই বিষয়ে আরও বেশি  করে অবগত করা।”অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবিদ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ, গবেষক, জিনিসপত্রের পুনর্ব্যবহারী সংস্থা, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, হোটেল, হাসপাতাল, কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রক এবং দপ্তর, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার প্রতিনিধি, পরিবেশবিদ, সরকারি এবং বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা, পুরসভা, উন্নয়ন পর্ষদ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রতিনিধিরা। অংশগ্রহণকারীরা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে নিজেদের কাজ, অভিজ্ঞতার কথা জানালেন। বিশিষ্ট বক্তারা জানালেন কী করে বর্জ্য ব্যবস্থপনা আরও সহজে করা যেতে পারে। জিনিসপত্রের পুনর্ব্যবহারের নিত্যনতুন উপায়ের কথাও ভাগ করে নিলেন। আলাপ–আলোচনার মাধ্যমে উঠে এল পরিবেশকে কীভাবে আরও দূষণমুক্ত করে তোলা যেতে পারে।

অনুষ্ঠানে ছিলেন জেআইএস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা.‌ বি সি মাল; প্রফেসর দীপক কুমার চক্রবর্তী ,পাঠক্রম বিশেষজ্ঞ,এম জি এন সি আর ই,এম এইচ আর ডি; প্রফেসর ডঃ শান্তনু সেন, অধ্যক্ষ, জি এন আই আইটি; জে আই এস গ্রুপের ডিরেক্টর  সিমারপ্রীত সিং;অধ্যাপক অভিজিৎ সেন গুপ্ত, ডিরেক্টর, ফার্মা সাইন্স এন্ড টেকনোলজির,জিএনআইটি সহ বিশিষ্টরা। প্রচারে : গ্রে ম্যাটার্স।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *